Showing posts with label ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব৷. Show all posts
Showing posts with label ইসলাম জিজ্ঞাসা ও জবাব৷. Show all posts

Friday, 20 March 2020

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ -আরিফ আজাদ । Paradoxical Sajid 2 by Arif Azad

প্যারাডক্সিক্যাল সাজিদ ২ -আরিফ আজাদ । Paradoxical Sajid 2 by Arif Azad


আপনাদের বোঝার সুবিধারথে  এই বইয়ের কিছু কিছু অংশবিশেষ নিচে দেয়া হল।
টাইপিং মিস্টেক হতে পারে তার জন্যে দুঃখিত তবে পি ডি এফ কপিতে নির্ভুল পাবেন আসা করি ইনশাআল্লাহ্‌

এই বইটি প্রচারে কারো আপত্তি থাকলে আমাদের ফেছবুক পেজে জানানোর অনুরোধ রইল 
একটু পরে দেখুন


Monday, 18 March 2019

প্রতারণা প্রতারণা প্রতারণা প্রতারণায় ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র

প্রতারণা প্রতারণা প্রতারণা প্রতারণায় ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র

পড়া হয়েছে: ৬০
ধোঁকা ও প্রতারণা একটি জঘন্য বিষয় । ইসলামে কোনো ধোঁকা ও প্রতারণার স্থান নেই । কোনো মুসলমান ধোঁকা দিতে পারে না।
ধোঁকা মুনাফেকদের বৈশিষ্ট্য । আল্লাহ তাআলা প্রতারণার জন্য কঠিন শাস্তির কথা বলেছেন । নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সময় মুনাফেকরা মুখে বলতো আমরা আল্লাহকে, আল্লাহর নবীকে এবং এই কোরআনকে মানি কিন্তু তারা বাস্তবে তা মানতো না ।

যার ফলে মহান আল্লাহ তাআলা এই আয়াত নাজিল করেন : – “এমন কিছু লোক আছে যারা বলে আমরা আল্লাহকে এবং শেষ দিবসের প্রতি বিশ্বাস করি। প্রকৃতপক্ষে তারা বিশ্বাস করেনি, তারা আল্লাহকে ও মুমিন বান্দাদেরকে ধোঁকা দিতে চায়। (সত্য কথা এই যে) তারা নিজেদের ছাড়া অন্য কাউকে ধোঁকা দেয় না। এবং তাদের এই বিষয়ে কোনো উপলব্ধি নেই।’—(সুরা বাকারা, আয়াত : ৮, ৯)

অপর এক আয়াতে মহান আল্লাহ তাআলা বলেন , তারা যদি তোমাকে ধোঁকা দিতে চায়, তবে আল্লাহই তোমার জন্য যথেষ্ট। তিনিই নিজ সাহায্যে মুমিনদের দ্বারা তোমাকে শক্তিশালী করেছেন।—(সুরা আনফাল, আয়াত : ৬২)
ওই আয়াতসমূহে মহান আল্লাহ তাআলা ধোঁকাবাজদের মুখোশ উন্মোচন করে দিয়েছেন।

আপাতদৃষ্টিতে মনে হয় তারা মুখের কথার মাধ্যমে আল্লাহ ও মুমিন বান্দাকে ধোঁকা দিতে চায় । কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তারা নিজেরাই ধোঁকার শিকার হয়েছে । কেননা, এ ধোঁকার পরিণাম তাদের জন্য অশুভ হবে । তারা মনে করছে নিজেদেরকে মুসলিম পরিচয় দিয়ে তারা কুফরের পার্থিব পরিণতি থেকে রক্ষা পেয়েছে । অথচ আখেরাতে তাদের জন্য কঠিন আজাব অপেক্ষা করছে ।
নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ধোঁকা ও প্রতারণাকারী সম্পর্কে কঠোর বাক্য উচ্চারণ করেছেন । হজরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন, ধোঁকাবাজ ও প্রতারণাকারী জাহান্নামে যাবে ।—(শুআবুল ঈমান বাইহাকী, হাদিস : ৬৯৭৮)

যারাই আল্লাহ , নবী (সাঃ) ও মুমিন বান্দাদেরকে ধোঁকা দেবে তারাই কঠিন শাস্তির সম্মুখীন হবে । তাই প্রত্যেক মুসলমানের উচিত দিলের মধ্যে মজবুত ঈমান লালন করবে এবং ঈমানের কথাই প্রকাশ করবে আর সে অনুযায়ী আমল করবে । তাহলেই সে প্রকৃত মুমিন হতে পারবে।

মুখে এক কথা আর অন্তরে আর এক কথা—এটা কোনো মুমিনের শান হতে পারে না । মুমিনের বৈশিষ্ট্যই হলো সে কখনও ধোঁকা দেবে না এবং ধোঁকার শিকার হবে না । যুগে যুগে ধোঁকাবাজ ছিল , এখনও আছে ।
তাই মহান আল্লাহ তাআলার কাছে এই কামনা করি , তিনি যেন আমাদেরকে ধোঁকা ও প্রতারণার কাজ থেকে হেফাজত করুন এবং প্রকৃত মুমিন হওয়ার তৌফিক দান করুন । আমিন।

উৎসঃ Nazmus Saadat ভাইয়ের ফেসবুক ওয়াল থেকে

Saturday, 2 March 2019

মানুষের পাপ গোপন রাখার গুরুত্ব

মানুষের পাপ গোপন রাখার গুরুত্ব

মানুষের পাপ গোপন রাখার গুরুত্ব

"যারা পছন্দ করে যে,ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার লাভ করুক,নিঃসন্দেহে ইহাকাল ও পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল্লাহ্ জানেন,তোমরা জানো না”। [সূরা আন-নূর; ২৪:১৯]

প্রিয় নবী (সা) আমাদের প্রয়োজনীয় সবকিছুই শিক্ষা দিয়েছেন যার একটি হল অন্যের পাপ গোপন রাখা। আমাদের মাঝে কেউ যদি এমন কোন খারাপ কাজ করে বসে যা কিনা আল্লাহ্‌র আদেশ বিরুদ্ধ বা নৈতিক চরিত্র বিরুদ্ধ কিংবা অন্যের জন্য মর্যাদাহানিকর, সেক্ষেত্রে তার উচিৎ তা গোপন রাখা এবং কৃতকর্মের জন্য একান্ত নিভৃতে আল্লাহ্‌র কাছে বারবার ক্ষমা প্রার্থনা করা। প্রিয় নবী (সা) বলেছেন,
“আমার সমগ্র উম্মাহ্‌ নিরাপদ, কেবল তারা ব্যতীত যারা কিনা তাদের পাপ নিয়ে দম্ভ করে বেড়ায়। তাদের কেউ যখন কোন কুকর্ম করে রাতে ঘুমাতে যায় এবং আল্লাহ্ তার পাপ গোপন রাখেন, সকালে ঘুম থেকে উঠার পর সে বলতে থাকে, “এই শোন, আমি না কাল রাতে এই এই (কুকর্ম) করেছি”। সে যখন ঘুমাতে যাই, আল্লাহ্ তার পাপ গোপন রাখেন, আর সকালে ঘুম থেকে উঠেই আল্লাহ্ যা গোপন রেখেছিলেন তা সে লোকজনের কাছে প্রকাশ করে বেড়ায়”।[সহীহ আল বুখারী]

জায়িদ ইবনে আসলাম থেকে বর্ণিত,
“আল্লাহ্‌র রাসূল (সা) এর সময়ে এক লোক যখন স্বীকার করল যে, সে ব্যভিচার করেছে, তখন আল্লাহ্‌র রাসূল (সা) একটি চাবুক চাইলেন। যখন তাকে একটি ছেঁড়া/পুরানো চাবুক দেওয়া হল তিনি বললেন, “এটার চেয়ে ভাল নেই?” তখন একটি নতুন চাবুক আনা হলে তিনি বললেন, “এটার চাইতে একটু পুরাতন দেখে নিয়ে আস”। এরপর এমন একটা চাবুক আনা হল যেটা ছিল (ব্যবহারের ফলে) একটু পুরানো/নরম। তখন তিনি ওটা দিয়ে ওই ব্যক্তিকে একশো দোর্‌রা মারার নির্দেশ দিলেন। এরপর তিনি বললেন, “হে লোকেরা! তোমরা আল্লাহ্‌র সীমা অতিক্রম করোনা। কেউ এই ধরনের ঘৃণিত কোন অপরাধ (যেমন ব্যভিচার) করে বসলে, সে যেন তা গোপন রাখে, কারন কেউ যদি তা প্রকাশ করে বসে, তবে আমরা তার ব্যাপারে বর্ণিত শাস্তি প্রয়োগের মাধ্যমে আল্লাহ্‌র কিতাবের বিধান কার্যকর করব”। [মুসনাদ আহমদ]

আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা) থেকে বর্ণিত,
“একজন লোক রাসূল (সা) এর নিকট আসেলেন এবং বললেন:
“হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমি মদিনার থেকে দূরবর্তী এক স্থানে এক মহিলার সঙ্গে ব্যভিচারে লিপ্ত হয়েছি। সুতরাং, আমাকে আমার প্রাপ্য শাস্তি দেন’। উমর ইবনুল খাত্তাব (রা) তখন বললেন: 'আল্লাহ্ তো তোমার পাপ গোপন রেখেছিল, তবে কেন তুমি তা গোপন রাখলেনা?’”  [সহীহ্‌ মুসলিম]

একইভাবে, যদি কেউ অন্যের পাপের কথা জেনে থাকে তবে তার উচিৎ তা গোপন রাখা। রাসূল (সা) বলেন:
"যে ব্যক্তি দুনিয়ায় একজন মুসলমানের একটা কষ্ট দূর করবে, হাশরের দিন আল্লাহ্ও তার একটা কষ্ট দূর করে দিবেন;  যে একজন ঋণগ্রস্তকে ঋণমুক্ত করবে, আল্লাহ্ তার দুনিয়া আর আখিরাত দুটোই সহজ করে দিবেন; আর যে ব্যক্তি একজন মুসলিমের দোষ গোপন রাখবে, দুনিয়া আর আখিরাত দুই জায়গাতেই আল্লাহ্ তার দোষ গোপন রাখবেন।" [ সহীহ্‌ মুসলিম]

আব্দুল্লাহ্‌ ইবনে উমর (রা) থেকে বর্ণিত,
"রাসূল (সা) একবার মীম্বরে দাড়িয়ে উচ্চস্বরে বললেন, "হে লোকেরা, যারা কিনা ইসলামকে শুধুমাত্র মুখে গ্রহন করেছ কিন্তু অন্তরে ঈমান আননি এখনো, তোমরা মুসলমানদের অনিষ্ট করা থেকে বিরত থাক, বিরত থাক তাদের ঠাট্টা করা থেকে, আর বিরত থাক তাদের ভুলত্রুটি বলে বেড়ানো থেকে, কারন যে ব্যক্তি তার ভাইয়ের দোষ অন্বেষণ করে বেড়ায় আল্লাহ্ও তার দোষ অন্বেষণ করবেন এবং তা জনসমক্ষে প্রকাশ করে দিবেন, এমনকি যদি নিভৃতে কোন এক গৃহকোণেও সংঘটিত হয়ে থাকে পাপটি।" [সহীহ্‌ আল জামী]

ইমাম আন-নাওয়াবী (রঃ) লিখেছেন, 'এই হাদিস থেকে এটাই প্রতীয়মান হয় যে, শুধুমাত্র মুনাফিক আর দুর্বল ঈমানের লোকেরাই মানুষের দোষ খুঁজে বেড়ায় এবং তা প্রকাশ করে বেড়ায়... "

লজ্জা আর অপমানের ভয় অনেকসময় মানুষকে অনেক খারাপ কাজ করা থেকে বিরত রাখে। হতে পারে এই ভয়টাই একদিন তাকে আল্লাহ্‌র দিকে নিয়ে যাবে, যখন সে তার ভুল বুঝতে পারবে এবং তার কৃত অপরাধের জন্য আল্লাহ্‌র কাছে ক্ষমা চাইবে। কিন্তু যখন তার অপরাধ জনসমক্ষে প্রকাশ করে দেওয়া হয় তখন সেই ভয়টা আর তার মাঝে কাজ করে না । সে তখন ভাবতে থাকে, ‘কি হবে আর ভাল থেকে, ক্ষতি যা হবার তা তো হয়েই গেছে, লোকজন তো জেনেই গেছে ইতোমধ্যে’, তখন সে প্রাকাশ্যে পাপ কাজে লিপ্ত হতে থাকবে।

তাছাড়া বারবার পাপের কথা বলতে থাকলে মানুষের অন্তর থেকে পাপের ভয় দূর হয়ে যায়। তখন পাপকে আর পাপ বলে মনেই হয়না। যে পাপের কথা বলে বেড়াতে লজ্জাবোধ করেনা, একই পাপে লিপ্ত হওয়া তার জন্য অসম্ভব কিছু নয়। আর এভাবেই সমাজে পাপ ছড়িয়ে পড়তে থাকে!

তাই এক মুসলমান অন্য কোন মুসলমানকে পাপ করতে দেখলে তার উচিত তা গোপন রাখা। সেই পাপ প্রকাশ করে দিয়ে লোকজনকে পাপের দিকে ঠেলে দেওয়া তার পক্ষে সমীচীন নয়। আল্লাহ্ পবিত্র কোরআনে শুধুমাত্র গুনাহগারদেরকেই সতর্ক করেননি, যারা গুনাহের কথা বলে বেড়ায় তাদেরকেও সতর্ক করে দিয়েছেন। তিনি বলেনঃ
“যারা পছন্দ করে যে,ঈমানদারদের মধ্যে অশ্লীলতার প্রসার লাভ করুক, নিঃসন্দেহে ইহাকাল ও পরকালে তাদের জন্যে রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। আল্লাহ্ জানেন,তোমরা জানো না”। [সূরা আন-নূর; ২৪:১৯]

সূরা আন-নিসা এর মধ্যে আল্লাহ্ বলেনঃ
“আল্লাহ্ কোন মন্দ বিষয় প্রকাশ করা পছন্দ করেন না। তবে কারো প্রতি জুলুম হয়ে থাকলে সে কথা আলাদা। আল্লাহ্ শ্রবণকারী,বিজ্ঞ”। [সূরা আন নিসা, ৪:১৪৮]

ইবনে আব্বাস (রা) এই আয়াতের তাফসীরে বলেন,
"আল্লাহ্ পছন্দ করেন না যে, আমরা একে অন্যের বিরুদ্ধে বদ্‌দোয়া বা মন্দ বিষয় প্রকাশ করি, যদি না আমাদের উপর অন্যায় করা হয়। তবে যদি কারো উপর জূলূম করা হয়ে থাকে সেক্ষেত্রে এই ব্যাপারে আল্লাহ্‌র অনুমতি রয়েছে। তারপরও এই ব্যপারে ধৈর্য ধারন করাই উত্তম।" [তফসীর ইবনে কাসীর]

সমাজে আজ এতো ব্যাপকভাবে পাপ ছড়িয়ে পড়ার কারন হল আমরা রাসূল (সা) এর দেওয়া শিক্ষার কথা ভুলে গেছি যার শিক্ষা ছিল নিজের আর অন্যের মন্দ বিষয় প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকার। আজ সে কারনেই মানুষের অন্তর থেকে গুনাহের ভয় উড়ে গেছে- হোক সেটা ছোট গুনাহ্‌ বা বড় গুনাহ্‌। আরো ভয়ঙ্কর হল, মানুষ আজকাল তাদের নিজের পাপের কথা গর্বভরে প্রচার করতে পছন্দ করে! একবারও কি ভেবে দেখেছি কোথায় চলে গেছি আমরা!!

আজকাল অন্যায়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টির নামে সমাজে কতভাবে যে পাপ ছড়িয়ে পড়ছে তার কোন ইয়াত্তা নেই। ইন্টারনেট, বই-পুস্তক, পত্র-পত্রিকা এবং রেডিও-টেলিভিশনের প্রোগ্রামগুলোতে খুন, ধর্ষণ, রাহাজানি, ব্যভিচার, দুর্নীতি, বাটপারি আর মারামারি ছাড়া ভাল কোন খবরই পাওয়া যায়না আজকাল। মিডিয়া-যার অন্যায়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টিতে সবচাইতে বড় ভুমিকা রাখার কথা ছিল-তাই আজ সমাজে অন্যায়কে দ্রুত ছড়িয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় ভুমিকা পালন করছে। কয়েকবছর আগেও আমরা যেসব অপরাধের কথা কল্পনা করতে পারতাম না, সেগুলোই আজ মিডিয়ার কল্যাণে নিত্যনৈমিত্তিক কর্মকাণ্ডে পরিণত হয়েছে! তাই মুসলিম ভাইদের প্রতি অনুরোধ, আসুন, মুসলিম উম্মাহকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যায় এমন সকল পথ পরিহার করে চলি আমরা; বিরত থাকি নিজের বা অপরের দোষ প্রচার করা থেকে; পানাহ্‌ চাই আল্লাহ্‌র কাছে, আল্লাহ্ যেন আমাদের সকলকে এমন ঘৃণিত অপরাধ থেকে দূরে সরিয়ে রাখেন।

ধৈর্যসহকারে পড়ার জন্য ধন্যবাদ। জাযাকাল্লাহু খাইরান!

References: Lecture by Allama Ehsan Ilahi Zaheer (rahimahullah), Qawaaid wa-Fawaaid min al-Arabeen an-Nawawi by Shaikh Nathim Sultan, Tafseer Ibn Katheer, and others.

অনুবাদঃ মুনিমুল হক
সম্পাদনাঃ আবদ্‌ আল-আহাদ এবং শাবাব শাহরিয়ার খান

Wednesday, 20 February 2019

প্রতারণা

প্রতারণা

প্রতারনা!!
প্রতারণা

প্রতারনার শিকারa হয় না পৃথিবীতে এমন একটি মানুষ খোঁজে পাওয়া যাবেনা, যদিও সবাই সচেতনার দাবীদার।একজন বিজ্ঞ ডাক্তার প্রতারিত হন যখন তিনি বিল্ডিং বানাতে যান একজন ইঞ্জিনিয়ারের কাছে। কেননা তিনি জানেন না ইট, বালু,রট সিমেন্টের হিসেব।একজন ছাত্র তার মূল্যবান ৩০ বছর পড়াশোনা করেই টাকার পিছনে দৌড়াতে থাকে হোক সেটা সৎ অথবা অসৎ পথে,, যে কাজটা মুর্খরাও করতে পারে। অর্থাৎ সে জানেই না পড়াশোনার মূল উদ্যেশ্য শুধু ইনকাম করা নয়।এটা কার প্রতারনা? পৃথিবীতে এমন কোন প্রাণি রুপ/বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে অন্য প্রাণিতে পরিনত হয়েছে বলাটা অনেক হাস্যকর হলেও একদল শিক্ষিত নাস্তিক মেনে নিয়েছে যে, শ্রেষ্ঠ প্রাণি মানুষের উৎপত্তি নাকি বানর থেকে!! এরকম প্রতারনার গল্প শেষ হবার নয়। প্রতিনিয়ত একে অন্যের কাছে প্রতারিত হয়েই যাচ্ছি আমরা। কারণ সবাই সব বিষয়ে অভিজ্ঞ নয়।আমার লেখার উদ্যেশ্য হল সবচেয়ে বড় প্রতারনা নিয়ে, যা সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; সেটি হল ধর্ম। এখানেই প্রতারনার শিকার হচ্ছে প্রায় সকল মানুষ। খ্রিষ্টান শিক্ষিত জাতি হয়েও ধর্মগুরুদেরকে প্রশ্ন করেনা যে, ইশ্বরের বউ,ছেলে (মেরি,যিশু) থেকে থাকলে প্রজননতন্ত্র অনুযায়ী ইশ্বরের বাপ,মা, দাদা দাদি, নাতি পতি এরা কোথায়? হাজার হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাথে প্রতারনা করে যাচ্ছে তাদের ধর্মগুরুরা,হাজারু দেব দেবি গাছ,পশুকে পুজার মাধ্যমে যা তাদের ধর্মগ্রন্থেই নেই! অবাক হবার কিছুই নেই নরেন্দ্র মোদির মত বিজ্ঞ ব্যেক্তিও এই প্রতারনার শিকার !  আমাদের ২ নেত্রীদের কে কেন তাদের পছন্দের আলেমগন বলছেন না ইসলামে নারী নেত্রীত্ব হারাম,, নারীরা কবর যিয়ারত করলে তাদের উপর রাসুলের লানত!  নেত্রী খালেদা/হাসিনা কে তাদেরই পচন্দের আলেমগন ঠকাচ্ছেন, তাদের স্বামি/বাবার কবরে ফুল দিতে মানা না করে। শাহাজালাল মাঝারে গিয়ে তাদের দ্বারা শিরক করিয়ে । জাতির শ্রেষ্ঠ আসনে বসেও তারা প্রতারিত হচ্ছেন!! দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত আমাদের ইসলামের উপর ভর করেই চলতে হয়, নাম রাখা থেকে যানাজা সবই ইসলাম। অথচ এত লম্বা একটা সময় সঠিক ভাবে ব্যয় করার জন্য আমাদের ইসলামিক জ্ঞান এর আগ্রহ নেইই। কিন্তু কিছুদিন ইনকাম করার জন্য আমরা কত মেহনত করে কাজ শিখি,দেশে দেশে পাড়ি দেই। সবজি মাছ কিনতে অনেক যাচাই করি কিন্তু ইসলাম কে যাচাই করি না। সবজি ত আজ খেলে কাল নাই,
কিন্তু ইসলাম? ? ?

Tuesday, 19 February 2019

জামাতে নামাজ পড়ার সময় কাতার সোজা করার গুরুত্ত কি ?

জামাতে নামাজ পড়ার সময় কাতার সোজা করার গুরুত্ত কি ?

জামাতে নামাজ পড়ার সময় কাতার সোজা করার গুরুত্ত কি ?
বাংলা ওয়াজ,নামাজের সঠিক নিয়ম,নামাজের কিছু ভুল,কাতার সোজা করো,নামাজের মাসয়ালা,নামাজের ভুলত্রুটি,সালাতুল তাসবিহ,বাংলা ওয়াজ ভিডিও,নামাজের ভুল সমুহ,নামাজের ভুল,হাদিস

উত্তর;-নবী মুবাশ্‌শির (সাঃ) নামাযে ইমামতির জায়গায় দাঁড়িয়ে মুক্তাদীদের দিকে মুখ করে তাদেরকে বিভিন্ন নির্দেশ দিতেন। (বুখারী ৭১৯নং) যেমন, “তোমরা সোজা হয়ে দাঁড়াও।” “কাতার সোজা কর।” “কাতার পূর্ণ কর।” “ঘন হয়ে দাঁড়াও।” “সামনে এস।” “ঘাড় ও কাঁধসমূহকে সমপর্যায়ে সোজা কর।” “প্রথম কাতারকে আগে পূর্ণ কর, তারপর তার পরের কাতারকে। অপূর্ণ থাকলে যেন শেষের কাতার থাকে।” “কাতারের ফাঁক বন্ধ কর।” “বাজারের মত হৈ-চৈ করা থেকে দূরে থাক।” ইত্যাদি।
কাতারে কেউ আগে-পিছে সরে থাকলে তাকে বরাবর হতে বলা এমন কি নিজে কাছে গিয়ে কাতার সোজা করা ইমামের কর্তব্য। আর যতক্ষণ পর্যন্ত না কাতার পূর্ণরুপে সোজা হয়েছে ততক্ষণ পর্যন্ত নামায শুরু করা উচিৎ নয়। (আলমুমতে’, শারহে ফিক্‌হ, ইবনে উষাইমীন ৩/১৬) বরং কাতার সোজা ও ঠিক হওয়ার আগে ইমামের নামায শুরু করা বিদআত। (আল-আজবিবাতুন নাফেআহ্‌, আন আসইলাতি লাজনাতি মাসজিদিল জামেআহ্‌, মুহাদ্দিস আলবানী ৭৪পৃ:)
নু’মান বিন বাশীর (রাঃ) বলেন, ‘আমরা নামাযে দাঁড়ালে আল্লাহর রসূল (সাঃ) আমাদের কাতার সোজা করতেন। অতঃপর আমরা সোজা হয়ে দাঁড়িয়ে গেলে তবেই তকবীর দিতেন।’ (বুখারী ৭১৭, মুসলিম, সহীহ ৪৩৬, আবূদাঊদ, সুনান ৬৬৫নং)