Saturday, 23 February 2019

কাল্পনিক গল্প বা উপন্যাস লেখা কি জায়েয বা এটা কি মিথ্যার মধ্যে গণ্য হবে?

কাল্পনিক গল্প বা উপন্যাস লেখা কি জায়েয বা এটা কি মিথ্যার মধ্যে গণ্য হবে?

প্রশ্ন: কাল্পনিক গল্প বা উপন্যাস লেখা কি জায়েয বা এটা কি মিথ্যার মধ্যে গণ্য হবে?

উত্তর:
গল্প ও উপন্যাসের বিষয়ের উপর নির্ভর করে তার ব্যাপারে হুকুম আরোপিত হবে। যদি সেগুলোতে মানুষকে ভাষাজ্ঞান, সাহিত্যচর্চা, ইসলাম পালনে উদ্বুদ্ধ করণ, দেশপ্রেম, চারিত্রিক উৎকর্ষ সাধন তথা মানুষের জন্য কল্যাণকর ও উপকারী কিছু শিখানো হয় তাহলে তা জায়েয। এ সব গল্প তখন উদাহরণ ও উপমা হিসেবে পরিগণিত হবে।
উদাহরণ পেশ করার উদ্দেশ্যে কাল্পনিক ঘটনা পেশ করলে তা মিথ্যার অন্তর্ভুক্ত হবে না। যেমন এভাবে উদাহরণ পেশ করা যে, এক লোক এটা করেছে বা এটা বলেছে তার পরিণতিতে এটা ঘটেছে।
আল্লাহ তাআলা আল কুরআনে এমন উদাহরণ পেশ করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَاضْرِبْ لَهُم مَّثَلًا رَّجُلَيْنِ جَعَلْنَا لِأَحَدِهِمَا جَنَّتَيْنِ مِنْ أَعْنَابٍ وَحَفَفْنَاهُمَا بِنَخْلٍ وَجَعَلْنَا بَيْنَهُمَا زَرْعًا  “আপনি তাদের কাছে দু ব্যক্তির উদাহরণ বর্ণনা করুন। আমি তাদের একজনকে দুটি আঙ্গুরের বাগান দিয়েছি....।” (সূরা কাহাফ: ৩২)

তিনি আরও বলেন:
ضَرَبَ اللَّـهُ مَثَلًا رَّجُلًا فِيهِ شُرَكَاءُ مُتَشَاكِسُونَ وَرَجُلًا سَلَمًا لِّرَجُلٍ هَلْ يَسْتَوِيَانِ مَثَلًا
“আল্লাহ এক দৃষ্টান্ত বর্ণনা করেছেন: একটি লোকের উপর পরস্পর বিরোধী কয়জন মালিক রয়েছে, আরেক ব্যক্তির প্রভু মাত্র একজন-তাদের উভয়ের অবস্থা কি সমান?” (সূরা যুমার: ২৯)
আল্লাহ তাআলা উক্ত আয়াত দ্বয়ে উদাহরণ হিসেবে দু জন ব্যক্তির কথা উল্লেখ করেছেন-মানুষের শিক্ষার জন্য কিন্তু সেগুলো কোন বাস্তবিক কোন ঘটনা নয়। (আল্লামা উসাইমীন রহ. এর বক্তব্য থেকে সংক্ষেপিত)
পক্ষান্তরে যদি গল্প ও উপন্যাসে অশ্লীলতা, অসচ্চরিত্র, হত্যাকাণ্ড, চুরি-ডাকাতি ও মানুষের জন্য ক্ষতিকারক কিছু থাকে তাহলে তা অবশ্যই বৈধ নয়। আল্লাহু আলাম।
✒✒✒✒✒✒
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব৷

Wednesday, 20 February 2019

প্রতারণা

প্রতারণা

প্রতারনা!!
প্রতারণা

প্রতারনার শিকারa হয় না পৃথিবীতে এমন একটি মানুষ খোঁজে পাওয়া যাবেনা, যদিও সবাই সচেতনার দাবীদার।একজন বিজ্ঞ ডাক্তার প্রতারিত হন যখন তিনি বিল্ডিং বানাতে যান একজন ইঞ্জিনিয়ারের কাছে। কেননা তিনি জানেন না ইট, বালু,রট সিমেন্টের হিসেব।একজন ছাত্র তার মূল্যবান ৩০ বছর পড়াশোনা করেই টাকার পিছনে দৌড়াতে থাকে হোক সেটা সৎ অথবা অসৎ পথে,, যে কাজটা মুর্খরাও করতে পারে। অর্থাৎ সে জানেই না পড়াশোনার মূল উদ্যেশ্য শুধু ইনকাম করা নয়।এটা কার প্রতারনা? পৃথিবীতে এমন কোন প্রাণি রুপ/বৈশিষ্ট্য পরিবর্তন করে অন্য প্রাণিতে পরিনত হয়েছে বলাটা অনেক হাস্যকর হলেও একদল শিক্ষিত নাস্তিক মেনে নিয়েছে যে, শ্রেষ্ঠ প্রাণি মানুষের উৎপত্তি নাকি বানর থেকে!! এরকম প্রতারনার গল্প শেষ হবার নয়। প্রতিনিয়ত একে অন্যের কাছে প্রতারিত হয়েই যাচ্ছি আমরা। কারণ সবাই সব বিষয়ে অভিজ্ঞ নয়।আমার লেখার উদ্যেশ্য হল সবচেয়ে বড় প্রতারনা নিয়ে, যা সব চেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়; সেটি হল ধর্ম। এখানেই প্রতারনার শিকার হচ্ছে প্রায় সকল মানুষ। খ্রিষ্টান শিক্ষিত জাতি হয়েও ধর্মগুরুদেরকে প্রশ্ন করেনা যে, ইশ্বরের বউ,ছেলে (মেরি,যিশু) থেকে থাকলে প্রজননতন্ত্র অনুযায়ী ইশ্বরের বাপ,মা, দাদা দাদি, নাতি পতি এরা কোথায়? হাজার হাজার হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সাথে প্রতারনা করে যাচ্ছে তাদের ধর্মগুরুরা,হাজারু দেব দেবি গাছ,পশুকে পুজার মাধ্যমে যা তাদের ধর্মগ্রন্থেই নেই! অবাক হবার কিছুই নেই নরেন্দ্র মোদির মত বিজ্ঞ ব্যেক্তিও এই প্রতারনার শিকার !  আমাদের ২ নেত্রীদের কে কেন তাদের পছন্দের আলেমগন বলছেন না ইসলামে নারী নেত্রীত্ব হারাম,, নারীরা কবর যিয়ারত করলে তাদের উপর রাসুলের লানত!  নেত্রী খালেদা/হাসিনা কে তাদেরই পচন্দের আলেমগন ঠকাচ্ছেন, তাদের স্বামি/বাবার কবরে ফুল দিতে মানা না করে। শাহাজালাল মাঝারে গিয়ে তাদের দ্বারা শিরক করিয়ে । জাতির শ্রেষ্ঠ আসনে বসেও তারা প্রতারিত হচ্ছেন!! দোলনা থেকে কবর পর্যন্ত আমাদের ইসলামের উপর ভর করেই চলতে হয়, নাম রাখা থেকে যানাজা সবই ইসলাম। অথচ এত লম্বা একটা সময় সঠিক ভাবে ব্যয় করার জন্য আমাদের ইসলামিক জ্ঞান এর আগ্রহ নেইই। কিন্তু কিছুদিন ইনকাম করার জন্য আমরা কত মেহনত করে কাজ শিখি,দেশে দেশে পাড়ি দেই। সবজি মাছ কিনতে অনেক যাচাই করি কিন্তু ইসলাম কে যাচাই করি না। সবজি ত আজ খেলে কাল নাই,
কিন্তু ইসলাম? ? ?