Thursday, 19 March 2020

Ms Excel   এর  Bangla Tutorial বইটি ডাওনলোড করে শিখে নিতে পারেন।

Ms Excel এর Bangla Tutorial বইটি ডাওনলোড করে শিখে নিতে পারেন।

আপনাদের বোঝার সুবিধারথে  এই বইয়ের কিছু কিছু অংশবিশেষ নিচে দেয়া হল।
টাইপিং মিস্টেক হতে পারে তার জন্যে দুঃখিত তবে পি ডি এফ কপিতে নির্ভুল পাবেন আসা করি ইনশাআল্লাহ্‌

এই বইটি প্রচারে কারো আপত্তি থাকলে আমাদের ফেছবুক পেজে জানানোর অনুরোধ রইল 
কটু পরে দেখুন

Microsoft এর office package টা আসলেই Coemplete একটা package যার মানে প্রায় সব বনের অফিশিয়াল  দৈনন্দিন কাজ করা যায়। এই বইয়ে আমরা মাইক্রোসফট এক্স এর কাজগুলো ধারাবাহিক সেইবো। তবে যারা নতুন তাঁদের জন্য অনুরোধ থাকলে জদি আপনার Microsoft word না যানা  থাকে  তাহলে a word টা শিখে নিন। কেননা আমি আগেই, আপনাদের বলেছি, আপনারা যারা ॥ Microsoft word জানেন,তাদের  শেখার সময় অনেক কিছু skin কনলেও সমস্যা নেই। আপনারা যদি Microsoft word না পারেন  তা হলেল এখুনি Ms word or Bangla Tutorial বইটি ডাওনলোড করে শিখে নিতে পারেন।

এটি Microsoft এর একটি পন। Excel সফটটি মাইক্রোসফট এ office package এর সাথে পাওয়া জায়। বর্তমানে বাজারে office 2020  পাওয়া যাচ্ছে আমি এখানে 2013 নিয়ে আলােচনা করলেও office , 10. 13,20  এর সবকিছু প্রায় একই রকম থাকবে, তাই আপনারা এর যেকোন একটি ব্যবহার করলে সমস্যা হবে না। এটিকে 5preadsheet applicatkoti বলা হয়ে থাকে, যার মাধ্যমে এপনি যেকোন ধরনের কাগকুলেশন, চার্ট লা গ্রাফিকস, পাইট টেবিল এবং programming এর কাজ করতে পাবেন। আমাদের মত সাধারণ বাবহারকারীরা সাধাণত excel এত অল্প কয়েকটি কাজ জানি। আর মাঝে মাঝে অন্যের লেখা সূত্র copy paste করে কাজ চালাই ।
* এলে এর মাধ্যমে আপনি spreadsheet এর সব ধরনের কাজ করতে পারবেন, এখানে প্রচুর
পৰিমানে raw এবং cpliamin আগে থেকে তৈয়ি করা আছে। এঙ্গেণের প্রতিটি ১read herd এ
৬৫,৫৩৬টি Row বা সরি এবং ২৫৬টি colutiri রয়েছে। - এর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই alailations এর কাজ কখতে পাবেন। ৮ যােগ, বিয়ােগ, গুণ, ভাগ ও আরাে অনেক কঠিন হিসাব করার জন্তু বিভিন্ন ধরনের ফাংশন আগে।
থেকে তৈরি করা আছে। যা শুধুমাত্র আপনার Call কতই ব্যবহার করতে পারবেন। * এর মাধ্যমে Pivot table এবং বিভিন্ন ধরনের সেনারি ও ম্যানেজ করতে পারবেন। * এর মাধ্যমে আপনার What-tf analysis, Siraulation arlalysis ইত্যালি এর কাজ করতে
পাবেন। * সুন্দর রিপাের্ট তৈরি করে, সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য সহায়তা নিতে পারেন।
Custom সূত্র তৈরি করতে পারবেন খুব সহজেই এবং সেগুলাে ব্যবহার করে আপনি আপনার কাজের গতি খুব সহজেই বাড়তে পারেন। যেমনঃ উদাহারন হিসেবে রেজাল্ট শিট এর কথা বলা যায়। কারণ Excel এ একজন stucerit এর রেজাল্ট তৈরি করতে যে সময় লাগে ১০০০ student
এর রেজাল্ট তৈরি করতেও একই সময় সাপে{৫-সেকেন্তু কম বেশি হতে পারে)। > এর দ্বারা আপনি graph, histograin and charts খুব সহজেই তৈরি করতে পারবেন।

কম্পিউটারের  ইতিহাস

কম্পিউটারের ইতিহাস

আপনাদের বোঝার সুবিধারথে  এই বইয়ের কিছু কিছু অংশবিশেষ নিচে দেয়া হল।
টাইপিং মিস্টেক হতে পারে তার জন্যে দুঃখিত তবে পি ডি এফ কপিতে নির্ভুল পাবেন আসা করি ইনশাআল্লাহ্‌

এই বইটি প্রচারে কারো আপত্তি থাকলে আমাদের ফেছবুক পেজে জানানোর অনুরোধ রইল 
কটু পরে দেখুন

কম্পিউটারের প্রাক প্রসঙ্গ বিজ্ঞানীদের বদ্ধমূল ধারণা মতে, যিশু খ্রিস্টের জনের ৩,৫০০ বছর পূর্বে প্রাচীন ব্যাবিলীয়ানরা বিভিন্ন রেকর্ড সংক্ষণের জন্য ক্লে ট্যাবলেট ব্যবহার করতাে। হিসাব নিকাশের জন্য গণনার কাজে মানুষ নিজের হাতের আঙুল ব্যবহার করেছে । নুড়ি, ছােট ছােট কাঠি, দড়ির গিঁট ইত্যাদি ব্যবহার করে ঠিক রেখেছে হিসাব-নিকাশ। খ্রিস্টপূর্ব ৪৫০ বছর আগে মানুষ এ্যাবাকাস যন্ত্রের ব্যবহার করে। বলা যায় এটাই প্রথম সংখ্যাভিত্তিক বা ডিজিটাল গণনা যন্ত্র। চীন দেশে প্রথম এ্যাবাকাস যন্ত্র আবিষ্কার হয়। জাপানে এ যন্ত্রের নাম সরােজন'। মুলত এ্যাবাকাস হলাে আয়তাকার একটা কাঠামাে। এর মধ্যে কতগুলাে তার আড়াআড়ি বসানাে থাকতাে। প্রতিটি তার আবার দুটো অংশে ভাগ করা। উপরের অংশে দুটো করে আর নিচের অংশে পাচটা করে পুঁতি থাকতাে। উপরের প্রত্যেকটি পুঁতির মান ৫ আর নিচের প্রত্যেকটি পুঁতির মান ১। প্রতিটি তার আবার একক, দশক, শতক, হাজার বােঝায় । গণনা কাজে ঠিক সংখ্যার পুঁতি উপরের দিকে ঠেলে দিতে হতাে। ১৬৪২ খ্রিস্টাব্দে ফরাসি গণিত বিশারদ প্যাসকেল সহজে গণনা করার জন্য ‘প্যাসকেলাইন' নামের একটি যন্ত্র আবিষ্কার করেন। ধারণা করা হয়, এটি পৃথিবীর সর্বপ্রথম ক্যালকুলেটর । এরপর ২০০ বছর অতিবাহিত হয়েছে। ১৮৩৩-৩৪ খ্রিস্টাব্দে ব্রিটিশ বিজ্ঞানী চার্লস ব্যাবেজ যে ধারণা দেন, আধুনিক কম্পিউটার সে অনুযায়ী প্রস্তুত করা হয়। তাই চার্লস ব্যাবেজকে আধুনিক কম্পিউটারের জনক বলা হয়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তাত্ত্বিক বিজ্ঞানী অ্যালান টিউরিং আধুনিক কম্পিউটারের গঠন কী রকম হওয়া উচিত, কেন এ রকম হওয়া উচিত, এটির কর্ম ক্ষমতা কত দূর এবং কোথায় এর দুর্বলতা তার একটি সার্থক মডেল তিনি বিজ্ঞানীদের সামনে তুলে ধরেন। আজকের কম্পিউটার বিজ্ঞানীদের মাঝে টিউরিং-এর মেশিন (Turing Machine) নামে সমধিক প্রচলিত। অ্যালান টিউরিং-এর কম্পিউটার মডেলের বাস্তব রূপ দিলেন ১৯৩৮ খ্রিস্টাব্দে জার্মান বিজ্ঞানী কনরাড জুস। তিনি আবিষ্কার করেন জেড-ওয়ান (21) নামক প্রথম প্রােগ্রাম চালিত যান্ত্রিক কম্পিউটার। সে বছর প্রথম ইলেক্ট্রনিক কম্পিউটারের আদি রূপ তৈরি হয় ড. ভিনসেন্ট অ্যাটাফ এবং ক্লিফোর্ড বেরি নামক দুই মার্কিন বিজ্ঞানী কর্তৃক । তাদের নামানুসারে ঐ কম্পিউটারের নাম দেওয়া হয় অ্যাটাসফ বেরি কম্পিউটার সংক্ষেপে (ABC)। ১৯৪০-৪১ খ্রিস্টাব্দে জন মসিল নামক এক বিজ্ঞানী (ABC)-কে আরাে উন্নত করার জন্য আমেরিকার সামরিক বিভাগের ব্যালিস্টিক রিসার্চ ল্যাবরেটরিত অক্লান্ত পরিশ্রম করে আবিষ্কার করলেন ‘এনিয়াক’ {ENIAC) নামক কম্পিউটার যার ওজন ছিল ৩০টন এবং আকৃতি ছিল ৩টি বিশাল ঘর জুড়ে । এনিয়াক-ই ছিল পৃথিবীর প্রথম পুর্ণাঙ্গ ইলেকট্রনিক কম্পিউটার। আধুনিক কম্পিউটার আবিষ্কার হয় ১৯৫৫ খ্রিষ্টাব্দে। আর কম্পিউটারের ব্যাপক প্রচলন আরম্ভ হয় ১৯৮০ খ্রিষ্টাব্দে। ১৯৫০ খ্রিষ্টাব্দের পর প্রথম বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কম্পিউটার বাজারজাত করা হয়। প্রথম যুগের কম্পিউটার ছিল বিশাল বড়। সেগুলাে যিনি আবিষ্কার করেছেন তিনি ছাড়া আর কেউ তা চালাতেই পারতাে না। এবাকাস আবিষ্কারের বহু 
১০ 
পরে খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ থেকে ৭০০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে আবিষ্কৃত হয় ঘড়ি। সেই ঘড়ি কিন্তু নিজে নিজে চলতে পারতাে না। তাকে চালানাের জন্য সহযােগিতার দরকার হতাে। কিন্তু মানুষের আশা যন্ত্র যেন নিজে নিজে চলতে সক্ষম হয়। ১৬৪২ খ্রিষ্টাব্দে ফরাসি বিজ্ঞানী প্যাসকল আবিষ্কার করেন যােগ বিয়ােগ করার একটি যন্ত্র । পাসকলের পিতা ছিলেন একজন সরকারি চাকরিজীবী--- তাকে কর আদায়ের হিসাব রাখতে হতাে। ওই হিসাব করার ব্যাপারটি কী যে ঝামেলার এবং কষ্টের! বাবাকে ঝামেলামুক্ত করতে প্যাসকল নামলেন গবেষণায়। অবশেষে তিনি আবিষ্কার করেন যােগ বিয়ােগের যন্ত্র। তিনি তার আবিষ্কৃত যন্ত্রটির নাম দিলেন ‘প্যাসকালিন'। যােগ বিয়ােগ ছাড়াও আরাে অন্যান্য হিসাব করা যায় এমন একটি যন্ত্র আবিষ্কার করলেন জার্মান বিজ্ঞানী লাইবনিৎজ। যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজ কম্পিউটার আবিষ্কারের একশাে বছর আগে কম্পিউটারের মূল সূত্র বর্ণনা করেন। তাই তাকে বলা হয় কম্পিউটারের জনক। তিনি বললেন, যন্ত্রের মাধ্যমে জটিল অংক সহজে করা সম্ভব। তিনি ১৮৩৩ থেকে ১৮৭১ খ্রিষ্টাব্দ অক্লান্ত পরিশ্রম করে আবিষ্কার করলেন এনালাইটিক্যাল মেশিন। এটিকেই পৃথিবীর প্রথম কম্পিউটার বলা যায় । তার এ কম্পিউটারের ছিল তিনটি অংশ। যথা : ১. স্টোর ও বাণ্ডার, ২. মিল বা কারখানা ও ৩. সিকোয়েন্সিয়াল মেকানিজম বা পর্যায়ক্রমিক যান্ত্রিক কাজ। তাছাড়া ব্যাবেজের যন্ত্রে ছিল স্মৃতি। ১০০টি সংখ্যা এতে জমা থাকতাে। এর ১০০ বছর পর হাওয়ার্ড এইকেন যে আধুনিক কম্পিউটার তৈরি করেন তারও ছিল তিনটি উপাদান। যথা : ১. ম্যাগনেটিক কোর, ২, রেজিস্টার ও ৩, প্রােগ্রাম। তিনি এটি করেছিলেন ব্যাবেজকে অনুসরণ করে
হার্ডওয়্যার পরিচয় একটি কম্পিউটারের যা দৃশ্যমান অর্থাৎ দেখা যায় এরকম যন্ত্র ও যন্ত্রাংশই হার্ডওয়্যার। আর দেখা যায় না অথচ অন্তরালে থেকে কম্পিউটারকে চালায় তাই সফটওয়্যার। একটা কী-বাের্ড, মনিটর, সিস্টেম ইউনিট ন্যূনতম এই কয়টি হার্ডওয়্যার সামগ্রী যুক্ত করে কম্পিউটার থেকে আমরা কাজ পেতে পারি। কম্পিউটারকে মাল্টি পারপাজে ব্যবহার করতে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ সংযােজন করতে হয়। এ কারণে শুধু প্রসেসর ইউনিটকে কম্পিউটার বললে অন্যান্য হার্ডওয়্যারগুলােকে ‘পেরিফেরাল’ হিসেবে বর্ণনা করা যেতে পারে। যেসব হার্ডওয়ারের সমন্বয়ে কম্পিউটারের সিস্টেম তৈরি হয়, সেগুলাের প্রকৃতি অনুসারে কম্পিউটারের হার্ডওয়্যারকে ৫ ভাগে ভাগ করা যায়। যথা : ১. ইনপুট হার্ডওয়্যার, ২. প্রসেসিং হার্ডওয়্যার, ৩. স্টোরেজ হার্ডওয়্যার ৪. আউটপুট হার্ডওয়্যার ও ৫. কমিউনিকেশন বা যােগাযােগের হার্ডওয়্যার। 
ইনপুট হার্ডওয়্যার। Input Hardware বলা যেতে পারে ময়দার মিলে গম নিয়ে গেলে তা প্রসেসিং-এর মাধ্যমে ময়দায় রূপান্তরিত করা হয়। এখানে গম হলাে ‘ইনপুট বা উপকরণ । আর ময়দা হলাে 
আউটপুট'। গম থেকে ময়দা হতে যে প্রক্রিয়ার প্রয়ােজন তা করে ফ্লাওয়ার মিল। একইভাবে কম্পিউটারের ক্ষেত্রেও প্রক্রিয়াকরণের কাজ কম্পিউটার করবে। তবে আমরা যা করতে চাই প্রথমে তা ইনপুটের মাধ্যমে কম্পিউটারকে জানাতে হবে। তবেই কম্পিউটার গাধার মতাে সেই কাজটি করে যাবে। কিন্তু কম্পিউটার তাে আর আমাদের ভাষা বােঝে না। তার রয়েছে যান্ত্রিক ভাষা ।


জুমলা কি? বাংলা বই

জুমলা কি? বাংলা বই

জুমলা কি?


আপনাদের বোঝার সুবিধারথে  এই বইয়ের কিছু কিছু অংশবিশেষ নিচে দেয়া হল।
টাইপিং মিস্টেক হতে পারে তার জন্যে দুঃখিত তবে পি ডি এফ কপিতে নির্ভুল পাবেন আসা করি ইনশাআল্লাহ্‌

একটু পরে দেখুন 

এই বই থেকে আমরা বর্তমানে বিশ্বের একটি জনপ্রিয় কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম [ QS] জুমলা সম্পর্কে জানব এবং এর ব্যবহার নিয়ে আলােচনা করব।
জুমলা ওপেন সাের্স ম্যাটার্সের তত্বাবধানে পিএইচপিতে লেখা একটি উন্মুক্ত সাের্সের সিএমএস সফটওয়ার। জুমলা ম্যাম্বাে নামক আরেকটি সিএমস থেকে জন্ম দিয়ে খুব দ্রুত জনপ্রিয়তা লাভ করেছে। এই দ্রুত জনপ্রিয়তার কারন হলাে, প্রচুর সংখ্যক এক্সটেনশনের সহজলভ্যতা, নির্ভরযােগ্য সহায়তার জন্য সক্রিয় ফোরাম এবং সর্বোপরি জুমলা ব্যবহারে সহজতা। জুমলা, অরগ ও এর বিভিন্ন সাব সাইটে জুমলা সম্পর্কিত সব তথ্য পাওয়া যাবে।
আর সিএমএস কোন ওয়েব সাইটকে চালানাের উপযােগী একটি সফটওয়ার। যখন কোন ভ্রমণকারী ওয়েবসাইটের কোন কিছু দেখতে চান, তখন সিএমএস সফটওয়ার সেটা যােগান দেয়। পাশাপাশি, সিএমএস এর সুবিধা ব্যবহার করে ওয়েব মাস্টার প্রয়ােজনে তার ওয়েব সাইটে বাড়তি তথ্য, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি | যােগ করেন। পুরােনাে তথ্য ইত্যাদি আর্কাইভ করে রাখার সুবিধাও থাকে। নিবন্ধিত সদস্যরা তাদের নিজেদের খবর, তথ্য ইত্যাদি জমা দিতে পারেন। কোন সম্পাদক তা অনুমােদন করলে তা প্রকাশ পাবে, এমন ব্যবস্থাও থাকে। এ ধরনের সব সুবিধা থাকে সিএমএস এর ব্যাক এন্ডে। যে সব ওয়েব সাইটের বিষয় বস্তু প্রায়ই পরিবর্তিত হয়, সেসব ওয়েব সাইট দেখভাল করার জন্য সিএমএস এর চাইতে ভাল আর কিছু হতে পারে না। যে সব সাইট সদস্য ব্যস্থাপনা করে তাদেরও অনেক কিছু দিতে পারে সিএমএস।
ওযেব সাইট তৈরির জন্য জুমলা কনটেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম এর ব্যবহার কত যে আকর্ষনীয় , আপনি ব্যবহার না করলে বুজবেন না।এর সবচেয়ে বড় দিক হল এটি ওপেন সাের্স সি. এম, এস, যার দরুন যেকোন কেউ এটি ফ্রি ডাউনলােড ও ব্যবহার করে ওযেব সাইট ও ওযেৰ এপলিকেশন তৈরি করতে পারবেন । এতে আপনাকে কোনও টাকা দিয়ে কিনতে হবেনা।
জুমলা দিয়ে প্রতিনিয়ত অসংখ্য ওয়েবসাইট তৈরি হচ্ছে, যার মধ্যে উল্লেখযােগ্য হচ্ছে -
কর্পোরেট ওয়েবসাইট বা পাের্টাল কর্পোরেট ইন্ট্রানেট এবং এক্ট্রানেট অনলাইন ম্যাগাজিন, সংবাদপত্র এবং বিভিন্ন ধরনের প্রকাশনা ই-কমার্স সাইট এবং অনলাইন রিজার্ভেশন সরকারী বিভিন্ন সাইট মাঝারি ও ক্ষুদ্র ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইট অলাভজনক এবং বিভিন্ন সংস্থার ওয়েবসাইট কমিউনিটি নির্ভর পাের্টাল।

বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট • ব্যক্তিগত বা পারিবারিক হােমপেইজ
বর্তমানে ই-কমার্স এর মত সাইটও সহজেই তৈরি করা যাচ্ছে জুমলা ব্যবহার করে, পারবেন আপনার পছন্দ মত Image Gallery,From বানানাে, Download Manager,Guestbook , স্লাইড শাে, এডসেন্স প্রােগাম আরও অসংখ্য প্রােগাম যােগ করতে ।Custom Html নামক একটি এক্সটেনশন যা দিয়ে এমন কোন প্রােগাম নেই যে আপনি যােগ করতে পারবেন না, প্রয়ােজনীয় কোড কপি করে এনে এক্সটেনশনটি পেস্ট করলেই কাঙ্কিত আউটপুট দেখতে পারবেন । হাজার হাজার টেমপ্লেট ও প্রয়ােজনীয় এক্সটেনশন রয়েছে ইন্টারনেটে । www.joomla24.com এই সাইটিতেই রয়েছে ৩০ হাজারেরও অধিক টেমপ্লেট, আর www.extensions.joomla.org এ রয়েছ অসংখ্য এক্সটেনশন । এই সাইট ২টিই সব ধরনের টেমপ্লেট ও প্রয়ােজনীয় এক্সটেনশন এর জন্য অনেক সিকিউর।
পিএইচপি দিয়ে এই সি, এম, এস, টি তৈরি এবং এটি মাইসিকুয়েল ডাটাবেজ ব্যবহার করে ।অনেক Freelancing সাইট রয়েছে যেখানে শুধু,Joomla এর ই রয়েছে হাজার হাজার ডলার এর কাজ। আপনিও .Joomla’য় দক্ষ হয়ে হাজার হাজার ডলার আয় করতে পারবেন ।এজন্য শুধু .Joomla’র জন্য রয়েছে একটি Freelancing সাইট http://joomlancers.com, এই বইয়ের শেষে জুমল্যান্সার্স এ কিভাবে কাজ করা যায়, এ নিয়ে জাকারিয়া ভাইয়ের একটি আর্টিকল আছে

এখানে ১২ টি কলামে বিভিন্ন অ্যাডের তথ্য দেখা যাবে
১। # : অ্যাড নম্বর। ২। U বিজ্ঞাপন সিলেক্ট করার জন্য। ৩। Name: বিজ্ঞাপনের নাম। বিজ্ঞাপনের নামের উপর ক্লিক করলে আপনি একটি এডিটর প্যানেল পাবেন এখান থেকে আপনি বিজ্ঞাপনের সমস্ত বিষয়য়াদি সম্পাদনা করতে পারবেন। এডিটর প্যানেল পরিচিততে একটু পরে আসছি। ৪। Client: অ্যাডদাতার নাম (সম্ভবত)। যেমন গুগল ইয়াহু অথবা অন্য কোন বিজ্ঞাপন দাতার নাম। ৫। Category: বিজ্ঞাপনের ক্যাটাগরি। যেমন Text Ads, Image Ads ইত্যাদি। ৬। Published; বিজ্ঞাপন টি প্রকাশিত হবে কিংবা হবে না তা দেখার জন্য। এখানকার লাল ক্রস চিহ্নিত চিহ্ন থাকলে বােঝা যাবে বিজ্ঞাপনটি প্রকাশিত না; প্রকাশিত করতে চাইলে সিম্পলি এর উপর ক্লিক। আর সবুজ টিক চিহ্ন থাকলে বােঝা যাবে বিজ্ঞাপনটি অপ্রকাশিত; প্রকাশিত করতে চাইলে সিম্পলি এর উপর ক্লিক করতে হবে। ৭। Order: বিজ্ঞাপনের স্থান বা পজিশন নির্ধারণের জন্য এর ব্যবহার। ৮। sticky: বিজ্ঞাপনটি ষ্টিকি করে রাখবেন কিনা তা নির্ধারণের জন্য এর ব্যবহার। ৯। Impressions: যারা গুগল অ্যাড নিয়ে কাজ করেন তারা জানেন ইমপ্রেশন কি জিনিস। তবুও যারা জানেন না তাদের জন্য বলছি ইমপ্রেসন হল আপনার অ্যাড বা বিজ্ঞাপন কতবার প্রদর্শিত হয়েছে তার পরিমাণ। ১০। Clicks: আপনার দেওয়া বিজ্ঞাপনে কতবার ক্লিক পড়েছে তার হিসাব নিকাশ। ১১। ট্যাগ: বিজ্ঞাপনটি কোন ট্যাগে দেওয়া আছে তা দেখার জন্য। ১২। আইডি: বিজ্ঞাপনের আইডেন্টি নম্বর। এছাড়াও একবারে উপরের দিকে ৮টি আইকন আছে। সেগুলাে এরকম



ওয়ার্ডপ্রেস কি?


 full tutorial bangla ebook



 ওয়ার্ডপ্রেসের ইতিহাস!

২০০৩ সালের ২৭শে মে ওয়ার্ডপ্রেসের স্মষ্ঠা ম্যাট মুলেনওয়েগ সর্বপ্রথম
এটি প্রকাশ করেন। এবং ডিসেম্বর ২০১১ পর্যন্ত ওয়ার্ডপ্রেস ৩.০ সংস্করণ | ৬৫ বিলিয়ন বারের বেশি ডাউনলােড করা হয়েছে। শুরু থেকে এটি ব্লপিং
সফটওয়্যার হিসেবে ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে ওয়ার্ল্ডপ্রেস দিয়ে অনেক বড় | বড় ওয়েবসাইট নির্মান করা হচ্ছে।
শুরু থেকে বলতে গেলে, B2 এবং CAFELOG নামের সংগঠন ওয়ার্ডপ্রেসের মুহত। ওয়ার্ডপ্রেস তৈরীর পর থেকে ২০০৩ সালের মে মাস পর্যন্ত B2 এবং CAFEL0KG সংগঠনটি কমপক্ষে ২০০০ ব্লগ হেট তে চেয়েছিল। ওয়ার্ডপ্রেস সিএমএস-টি পিএইচপি ফ্রেমওয়ার্ক এবং মাইএসকিউএল ডেটাবেজ এর সমন্বিত রূপ। এটি মাইকেল আহিমি কর্তৃক আধুনিকল করা, মিনি বর্তমানে ওয়ার্ডপ্রেস ৪ান্ন তেহেলপার এবং, ও,সের অফিসিয়াল ম্যাজি। সাথে তিনি বি২ইকুয়েশন প্রজেক্টের এটি সদস্য।
ওয়ার্ডপ্রেস সর্বপ্রথম ২০০৩ সালে মাটি মুলওয়ে এবং মাইক লিটিল কর্তৃক বি ইয়েশন এর একটি ছােট প্রােজেক্ট ছিল। আন্ত আমরা বর্তমানে ওয়ার্কস নামে য়ে নলছি এটা ম্যাট মুলেন ওয়েগ এর বন্ধু ক্রিস্টিন সেক টিমুলেট এর পছু কত দেয়া নাম।
২০০৪ সালে Six Apart কর্তৃক তৈরীকৃত আরেক ব্লগিং সফটওয়্যার Movahle Typr তাদের ব্যবহার বিধিমালা পরিবর্তন করায় তাদের বেশির ভাগ ব্যবহষ্কারীরা Muwahle Type ছেড়ে শুয়াপ্রেসে পাড়ি জমায়। আর এটি-ই ওয়ার্ডপ্রেসের ভাগ্যকে প্রসারিত করে দেয়।
অক্টোবার ২০০৯, ওপেন সাের্স কন্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম শেয়ার মার্কেট নিপাের্ট অনুযায়ী দেখা যায়, ওয়ার্কপ্রস ২০০৯ সালে তাদের টার্গেটের তুলনায় ওপেন সাের্স লেটট ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম হিসেবে অধিক জনপ্রিয় এবং সফল অর্জন করতে সমর্থ হয়েছে। আন্ত এভাবেই হার্ডপ্রেস আজকের বিশ্ব দরবারে মাথা উচু করে দ ওয় গেছে।

লােকাল কম্পিউটারে ওয়ার্ডপ্রেস সেটআপ!


 ব্লগিং সিএমএস হিসেবে ওয়ার্ডপ্রেসের জনপ্রিয়তা এখন তুঙ্গে সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না। চাইলেই আপনিও এইচটিএমএল, সিএসএস শিখে নিয়ে ওয়ার্ডপ্রেসে কাজ করতে পারবেন। তবে, আল করতে হলে আপনাকে অবশ্যই পিএইচপি এবং মাইএসকিউএলও জানতে হবে। এখন কথা হল, আপনি দুই ভাবে ওয়ার্ডপ্রেসে কাজ করতে পারবেন। ১ ঝোল কম্পিউটাৱে, মানে আপনার পিসিকেই শুয়েব সাজ্জার। হিসেবে ব্যবহার করার মাধ্যমে, এবং ২, রিমাের্ট/ওয়েব সার্ভার, মানে ইন্টারনেট লাইন ব্যবহার করে। রিমােট সার্ভারে আবার দুকাৰে সেটআপ করতে পারবেন, ক) সরাসরি স্বয়ংক্রিয় সিএমএস সফটওঘর প্যালেন থেকে, খ) মানুিয়ালি জ্ঞাটাবেজ তৈরী করে। তাই, ওয়ার্ল্ডপ্রেস নিয়ে ধারাবাহিক পর্বের আজকে আপনাদের দেখাবাে কিভাবে আপনি লােকাল কম্পিউটারকে লােৰুলি শুয়েব সার্ভার নিয়ে ওয়ার্কপ্রেস সেটআপ দিবেন। ১ প্রথমে আপনার কম্পিউটারকে লােকাল ওয়েব সার্ভার বানাতে WAMI' অথবা SAM' ইন্সটল করে নিন। আপনার কাছে সফটওয়্যায় দুটি না থাকলে ডাউনলােড় করে নিতে পাল্লেন এথাৰ এখাশে থেকে। অনন্য মনটিয়ানাের মতই এ হাটলেশন পদ্ধতি তাই নতুন করে এটা নিয়ে লিখলাম না। (উল্লেখ আমি হয়ােজ এক্সপি এবং WAMP সার্ভার বাজার করে টিটলিটি তৈলা করছি। আপনাদের কোগী ও বুঝতে সমস্যা হলে জানাবেন)।
২ ওয়া ইটা রাগি পায় আপনার হার্ডপি ( মাই war নামে একটি ফোস্কায় তৈরী হবে। এখ, এক্স ভিরে www কামের যে রাজার টি পাণ ভয় ভিওয়েই আপনাক্তে প্রয়াসে বা অন্যান্য সি মিস হলাে ইন্সট্রাল রুখতে হবে। যেহেতু আমািয়া ওয়ার্ডপ্রেস নিয়ে কাজ করে তাই ওয়ার্ডপ্রেস। সিএমএস সফটওয়ারটি একটি নতুন ফোল্ডার এর ভিতরে সরাসরি আনজিপ করবাে। ওয়ার্কগ্রস ইন্সটল করা না আমি www ফোল্ডারের ভিতরে Trail Blog নামের একটি ফোল্ডার করেছি এবং এর তিনের ওয়ার্ডপ্রেস আনজিপ করেছি। ওয়াস সফটওয়্যারটি ভালো করুন এখানে থেকে।
৩. এবার চলুন ধার্সপ্রেস সফটওয়্যারটি Trail Blog ফোল্ডারের ভিতরে আনজিপ করি। আপনার হার্ডস্কের যেখানে জিপ করা ওয়ার্ডপ্রেস সফটওয়ারটি আছে সেখানে চলুন,
#, জিপ ফাইলটির উপরেই মাউস রেখে Extract Files... এ ক্লিক করুন। এবার নিচের মতাে স্থান 'আসলে My Coiliputer C: ডাইভ * want * * * * Tail Hlavg (ফোল্ডার নামটি আপনার ইচ্ছা মতাে নিতে পারেন। নির্বাচন করে দিন। নিচের মতাে করে -

Wednesday, 18 March 2020

বাইবেল,কুরআন ও বিজ্ঞান-ড. মরিস বুকাইলি

বাইবেল,কুরআন ও বিজ্ঞান-ড. মরিস বুকাইলি

বাইবেল,কুরআন ও বিজ্ঞান-ড. মরিস বুকাইলি


নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থ রয়েছে, একত্ববাদী এমন তিনটি ধর্ম-ইহুদি, খ্রিস্টান ও ইসলাম। এ সকল ধর্মে বিশ্বাসীদেরকে তাদের ইহুদি, খ্রিস্টান ও মুসলমান। যে ধর্মে যে বিশ্বাসী তাদের কাছে তিনি যে-ই হােন-না-কেন, তাঁর ধর্মগ্রন্থ তাঁর বিশ্বাসের বুনিয়াদ, নিজ নিজ ধর্মগ্রন্থকে আসমানী ওহীর লিপিবদ্ধ রূপ বলে বিবেচনা করেন। তাঁদের বিশ্বাস, এ ধরনের ওহী হযরত ইব্রাহিম (আঃ) এবং হযরত মুসা (আঃ) সরাসরি আল্লাহর কাছ থেকে পেয়েছিলেন এবং ওহী হযরত ঈসা (আঃ) লাভ করেন ফাদার বা পিতার নামে আর হযরত মােহাম্মদ (দঃ) লাভ করেছিলেন প্রধান ফিরিস্তা জিব্রাইলের মাধ্যমে। 
ধর্মীয় ইতিহাসের নিরপেক্ষ বিচারে তাওরাত, জবুর, ইঞ্জিল অর্থাৎ বাইবেলের পুরাতন ও নতুন নিয়ম এবং কোরআন একই ধরনের ওহী বা প্রত্যাদেশপ্রাপ্ত ধর্মগ্রন্থ। 
যদিও বর্তমান সভ্য-জগতের সাল-গণনার প্রথম শতকে এবং আরও অনেক আগেও বাইবেল’ শব্দটি কারও জানা ছিল না। অর্থাৎ কোন পুস্তককে, নাম বাইবেল ছিল না। অবশ্য, চতুর্থ শতকে কনস্টান্টিপােলের (বর্তমানে যে-স্থান ইস্তাম্বুল) একজন গােষ্ঠীপতি জন ক্রাইসােটর ইহুদিদের দ্বারা সংগৃহীত পুঁথিগুলােকে বিবলিয়া' অর্থাৎ বুকস' (গ্রন্থমালা) বলে উল্লেখ করেছেন। 
বাইবেলের দুটি অংশ ঃ প্রথম অংশকে বলা হয় পুরাতন নিয়ম' (The old Testament)। এতে রয়েছে, যীশুর অবর্তমানে বিভিন্ন লেখক কর্তৃক যীশুর জীবনী, উপদেশাবলী এবং প্রতি প্রত্যাদিষ্ট ঐশীবাণীসমূহের অংশবিশেষ প্রসঙ্গক্রমে বিক্ষিপ্ত বিচ্ছিন্নভাবে। 
এখন থেকে সােয়াশ’ বছর আগে থেকে আরম্ভ করে এখনপর্যন্ত অনেক জ্ঞানীব্যক্তি বিশুদ্ধ খ্রিস্টান হয়েও বাইবেলের উক্তিগুলােকে ঠিক আপ্তবাক্য বলে মেনে না নিয়ে, নিজেদের বিচার-বুদ্ধির আলােকে ক্রমাগত তথ্য অনুসন্ধান করতে করতে সুসমাচার সম্বন্ধে অনেক নতুন নতুন তত্ত্ব আবিষ্কার করেছেন। যা আপ্তবাক্যের চেয়েও নির্ভরযােগ্য। 
তাঁদের সকলের সিদ্ধান্ত সবসময় একইরকম না হলেও তা থেকে মােটামুটি ধারণা জন্মে যে, বাইবেলের নতুন নিয়ম ‘পুরাতন নিয়ম'-এর বৈপরীত্য ছাড়াও নানারকম তর্ক-বিতর্ক বাক-বিতণ্ডার সৃষ্টি করে। 
এই পুস্তকে কোনাে ধর্মগ্রন্থ বা ধর্মাবলম্বীকে বা তাঁর বা তাদের বিশ্বাসকে আঘাত হানার প্রয়াস চালানাে হয়নি বরং বিশ্বাস করে নিতে দ্বিধা নেই একত্ববাদী ধর্মাবলম্বীদের নিকট অবশ্যই অনেক ঐশ্বরিক প্রক্রিয়ায় বিভিন্ন প্রত্যাদেশপ্রাপ্ত ধর্মগ্রন্থ এসেছে। 
যদিও মুসলমানেরা এই নীতি মেনে চলেন, কিন্তু কোরআনকে পাশ্চাত্যের ইহুদী-খ্রিস্টান সংখ্যাগুরু সমাজ প্রত্যাদেশপ্রাপ্ত ধর্মগ্রন্থ হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চান না। ধর্মগ্রন্থ সম্পর্কে পরস্পরের এই যে দৃষ্টিভঙ্গি, খুব সম্ভবত এ থেকেই কারাে বুঝতে কষ্ট হওয়ার কথা নয়, একটি ধর্মীয় সমাজ অপর ধর্মীয় সমাজ সম্পর্কে কি ধরনের মনােভাব পােষণ করেন। ইহুদিদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হিব্রু ভাষার বাইবেল। উল্লেখ্য, হিব্রু বাইবেল খ্রিস্টানদের বাইবেলের অন্তর্ভুক্ত ‘ওন্ড টেস্টামেন্ট বা পুরাতন নিয়ম’ থেকে আলাদা। 
খ্রিস্টানরা এই ‘ওল্ড টেস্টামেন্টে বেশ কয়েকটি অধ্যায় সংযােজন করেছেন যা হিব্রু বাইবেলে অনুপস্থিত। এই সংযােজনা কিন্তু বাস্তবে ইহুদি মতবাদে তেমন কোন পরিবর্তন ঘটিয়েছে বলে মনে করার কোনাে কারণ নেই। কেননা, ইহুদিরা নিজস্ব হিব্রু বাইবেলের পরে আর কোনাে ধর্মগ্রন্থ অবতীর্ণ হওয়ার কথা অস্বীকার করেন। হিব্রু বাইবেল যেমনটি ছিল তেমনইভাবে তাকে গ্রহণ করা হলেও এরসঙ্গে খ্রিস্টানরা আরও কিছু নতুন অধ্যায় সংযােজন করেছেন। যদিও খ্রিস্টানরা যীশুর ধর্মপ্রচারের সাথে পরিচিত সবগুলাে রচনাকে ধর্মগ্রন্থ হিসেবে গ্রহণ করেননি। যীশুর জীবনী ও শিক্ষা-সংক্রান্ত পুস্তকের সংখ্যা কম ছিল না, তবুও নিজেদের ধর্মগ্রন্থ হিসেবে গির্জার পুরােহিত-অধিকারীরা এসব থেকে যাচাই-বাছাই ও কাট-ছাঁট করে শুধু কয়েকটি রচনাকে ধর্মগ্রন্থের মর্যাদা দিয়েছেন। এভাবে, কিছুসংখ্যক রচনা বাইবেলের নিউ টেস্টামেন্টে স্থান পেয়েছে। এরমধ্যে প্রামাণ্য ও গুরুত্বপূর্ণ বলে পরিচিত চারটি গসপেল বা সুসমাচার। খ্রিস্টানরাও যীশু এবং তাঁর প্রেরিতদের পর আর কোনাে প্রত্যাদেশের অস্তিত্ব অস্বীকার করেন। তাই কোরআন তাদের কাছে বাতিল বলে গণ্য। 
যীশুখ্রিস্টের ছশ বছর পর কোরআনের বাণীসমূহ অবতীর্ণ হয়, তাওরাত ও গসপেলের (ইঞ্জিল) বহু তথ্য ও পরিসংখ্যানের উল্লেখ ছাড়াও কোরআনে তাওরাত ও ইঞ্জিলের বহুল উদ্ধৃতি বিদ্যমান। কোরআন ঃ ৪ ঃ ১৩৬-এর মাধ্যমে 
ইতিপূর্বেকার সবগুলাে আসমানী কিতাবের উপর বিশ্বাস স্থাপনের জন্য মুসলমানদের প্রতি নির্দেশ রয়েছে। তাছাড়াও, কোরআন অন্যান্য পয়গম্বর যেমনঃ যীশু বা হযরত ঈসা, হযরত মুসা ও তার পরবর্তী নবীদের এবং তাঁদের ওপর অবতীর্ণ হওয়া আল্লাহর বাণী সম্পর্কে সবিশেষ গুরুত্ব আরােপ করেছে। বিশেষ এক মর্যাদা দেয়া হয়েছে যীশু বা হযরত ঈসা (আঃ)-কে। বাইবেলের মতাে কোরআনও তাঁর জন্মকে অতি-প্রাকৃতিক ঘটনা হিসেবে বর্ণনা করেছে । কোরআনে যীশুমাতা মেরী বা হযরত মরিয়ম বিশেষ মর্যাদার আসনে আসীন। এমনকি কোরআনের ১৯নং সূরার নামকরণ করা হয়েছে যীমাতার নামানুসারে 
মরিয়ম। 
সাধারণভাবে পূর্ববর্ণিত তথ্যসমূহ পাশ্চাত্যের লােকজনের অজানা। যদিও, তাই বলে বিস্ময়ের কিছু নেই, পাশ্চাত্য জগতে পুরুষানুক্রমে এমনভাবে এই শিক্ষাই দিয়ে আসা হচ্ছে। এক্ষেত্রে, তাঁদের অন্যতম প্রচারণা ইসলাম ধর্ম সম্পূর্ণভাবে একজন মানুষের সৃষ্টি এবং এই ধর্মের প্রবর্তনায় গড বা বিধাতার (খ্রিস্টীয় অর্থে) কোনাে ভূমিকা নেই। 
| এখন বহু ধর্মপ্রাণ ব্যক্তি ইসলামের দার্শনিক, সামাজিক ও রাজনৈতিক ভূমিকা সম্পর্কে আগ্রহী হলেও তারা কখনাে ইসলামের ওহী বা প্রত্যাদেশপ্রাপ্ত বাণী-সম্পর্কে তথ্যানুসন্ধানের তেমন কোনাে আগ্রহ অনুভব করেননি। অথচ, তা করা তাদের উচিত । 
ড. মরিস বুকাইলি বলেন, “যখন আমি বাইবেল ও কোরআনের তুলনামূলক বিচার-বিশ্লেষণের জন্য খ্রিস্টান মহলের সাথে মত বিনিময়ের চেষ্টা চালিয়েছিলাম, তখন এই অভিজ্ঞতা আমার হয়েছে, মুসলমানদের কী ঘৃণার চোখেই না দেখে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীগণ।” 
ড. মরিস বুকাইলি বুঝতে পেরেছিলেন তাঁরা চিরাচরিত পদ্ধতিতেই কোরআনের প্রতি অনীহা প্রকাশ করেছেন। বিভিন্নবিষয়ে কোরআনের যে বক্তব্য, তা গ্রহণ করা তাে দূরের কথা, এতদসংক্রান্ত কোনাে বিষয়ে কোরআনের প্রতি সামান্য আকার-ইঙ্গিতও তারা আমলে নিতে রাজি হননি। কোরআনের কোনাে উদ্ধৃতি তাঁদের কাছে দেয়া যেন শয়তানের বরাত দিয়ে কথা বলার সমান। 
যাহােক, এখন খ্রিস্টান-জগতের সর্বোচ্চ পর্যায়ে এ-বিষয়ে বেশকিছু উল্লেখযােগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। ভ্যাটিক্যানের নন-ক্রিশ্চিয়ান অ্যাফেয়ার্স দফতর থেকে দ্বিতীয় ভ্যাটিক্যান কাউন্সিলের পর একটি তথ্যমূলক পুস্তিকা । 
প্রকাশ করা হয়েছে। এর ফরাসি নামের বাংলা হচ্ছে মুসলিম-খ্রিস্টান আলাপ আলােচনায় দিক-নির্দেশিকা'। ১৯৭০ সনে ফরাসি ভাষায় এর তৃতীয় সংস্করণ প্রকাশিত হয় রােমের ‘আনকোরা” নামের এক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান থেকে। 
এই পুস্তকে মুসলমানদের ব্যাপারে ভ্যাটিক্যানের দৃষ্টিভঙ্গি যে ব্যাপক পরিবর্তন ঘটেছে তার পরিচয় পাওয়া যায়। কারণ, এই পুস্তকে ইসলাম সম্পর্কে খ্রিস্টানদের প্রতি অতীত থেকে পাওয়া যাবতীয় বাতিল ধারণা ও কুসংস্কার এবং বিদ্বেষপ্রসূত বিকৃত মতামত পরিহারের জন্য বলা হয়েছে। শুধু তাই নয়, 
ভ্যাটিক্যান থেকে সম্প্রচারিত এই দলিলে স্বীকৃত হয়েছে ? 
“অতীতে মুসলমানদের প্রতি অবিচার করা হয়েছে এবং সেজন্য খ্রিস্টবাদী শিক্ষায় শিক্ষিত পাশ্চাত্য সমাজই দায়ী। তাছাড়া, খ্রিস্টানদের মধ্যে যে-সব ভুল ধারণা রয়েছে মুসলমানদের অদৃষ্টবাদ, ইসলামিক বিধি-বিধান, তাঁদের রক্ষণশীলতা সম্পর্কে সে সব নিয়েও এই বইয়ে সমালােচনা করা হয়েছে। এই পুস্তকে স্রষ্টার একত্বের ভিত্তিতে ঐক্য গড়ে তােলার উপর গুরুত্ব আরােপসহ তথ্য পরিবেশিত হয়েছে যে, ১৯৬৯ সনের মার্চ মাসে কার্ডিনাল কোয়েনিং এক সরকারি বৈঠকে যােগদানের জন্য কায়রাে শহরে গিয়ে আল আজহার মুসলিম ইউনিভার্সিটির জামে মসজিদে এই ঐক্য গড়ে তােলার আহবান জানিয়েছেন। উল্লেখ্য যে, তাঁর সেই আহবানে শ্রোতারা অবাক হয়ে গিয়েছিল। এই পুস্তকে এও বলা হয়েছে যে, ১৯৬৭ সনে ভ্যাটিক্যান দফতর থেকে রমজান শেষে যথাযথ ধর্মীয় গুরুত্ব সহকারে মুসলমানদের প্রতি পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা জ্ঞাপনের জন্য খ্রিস্টানদের প্রতি আহবান জানানো হয়েছিল। রােমান ক্যাথলিক বিশ্বাস ও ইসলামের মধ্যে ঘনিষ্ঠতর সম্পর্ক গড়ে তােলার ব্যাপারে এই যে পদক্ষেপ, তা কিন্তু এখানেই থামেনি, বরং পরবর্তীতে বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও যৌথ বৈঠকের মাধ্যমে তা আরাে গতিশীল ও আরাে সুদৃঢ় করার ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। অবশ্য, সংবাদপত্র, রেডিও-টেলিভিশনের দ্বারা তাে বটেই অন্যান্য প্রচারমাধ্যমের সকল সুযােগ-সুবিধা সত্ত্বেও পাশ্চাত্য জগতে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ এইসব ঘটনা তেমন কোনাে প্রচার পায়নি। ভ্যাটিক্যানের নন-ক্রিশ্চিয়ান এ্যাফেয়ার্স দফতরের প্রেসিডেন্ট কার্ডিনাল পিগনােডেলি ১৯৭৪ সনের ২৪ এপ্রিল সরকারি সফরে সৌদি আরব যান এবং বাদশাহ ফয়সালের সাথে সাক্ষাৎ করেন, এই 
সংবাদটিও পত্র-পত্রিকায় তেমন কোনাে প্রচার পায়নি। এ সম্পর্কে ফরাসি সংবাদপত্র লে মডেতে কয়েক ছত্র সংবাদ প্রকাশ করেছিল, তারিখটি ২৫শে এপ্রিল ১৯৭৪। ওই সংবাদসূত্রে জানা যায়, ইসলামী বিশ্বের প্রধানতম নেতা মহামান্য বাদশাহ ফয়সালের নিকট মহামান্য পােপ ৪র্থ পল এই মর্মে এক বাণী পাঠিয়েছিলেন যে, তিনি গভীরভাবে বিশ্বাস করেন, এক আল্লাহর আনুগত্যের ভিত্তিতে ইসলামী বিশ্ব ও খ্রিস্টান-জগৎ ঐক্য গড়ে তুলতে পারে।” 
ঘটনার গুরুত্ব এই বাণীর মর্ম থেকেই উপলব্ধি করা যায়। 
উল্লেখ্য, এর কয়েক মাস পর সৌদী আরবের গ্র্যান্ড উলেমা এক সরকারি সফরে ভ্যাটিক্যানে আসেন এবং পােপ তাকে সাদর অভ্যর্থনা জ্ঞাপন করেন। এই উপলক্ষে খ্রিস্টান ও মুসলমানদের মধ্যে এক আলােচনা-বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। আলােচনার শিরােনাম ছিল ইসলামে মানুষের সাংস্কৃতিক অধিকার। ভ্যাটিক্যানের সংবাদপত্র অবজারভেটর রােমানাে’ ১৯৭৪ সনের ২৬ অক্টোবর প্রথম পৃষ্ঠায় এই ঐতিহাসিক বৈঠকের বিবরণ প্রকাশ করে। | উল্লিখিত বৈঠকের সমাপ্তি অধিবেশনে রােমের সাইনড অব বিশপবর্গ উপস্থিত ছিলেন কিন্তু এই সমাপ্তি অধিবেশনের সংবাদটি প্রথম অধিবেশনের তুলনায় ছােট করে ছেপেছিল। 
| সৌদি আরবের গ্রান্ড ওলেমাকে এরপর সংবর্ধনা জানান, জেনেভা গির্জাসমূহের এডুমেনিকাল কাউন্সিল এবং স্ট্রাসবুর্গের লর্ড-বিশপ মহামতি এলাচিংগার। বিশপ তাঁর উপস্থিতিতেই গ্রান্ড উলেমাকে গির্জাতে জোহরের নামায আদায় করার জন্য আমন্ত্রণ জানান। অনুমান করা চলে, ধর্মীয় গুরুত্ব হিসেবে নয় বরং বৈচিত্র্যপূর্ণ ঘটনার বিবরণী হিসেবে সংবাদপত্রগুলােতে ওইসব সংবাদ প্রকাশিত হয়েছিল। কেননা, এসব ঘটনার মধ্যে ধর্মীয় অনুষ্ঠানগুলাে সম্পর্কে ড. মরিস বুকাইলি যাদেরই প্রশ্ন করেছেন, জেনেছেন, তাঁদের অনেকেই এর গুরুত্ব সম্পর্কে তেমন সচেতন নন। 
ইসলাম সম্পর্কে পােপ চতুর্থ পল এই যে উদার দৃষ্টিভঙ্গি দেখিয়েছেন, নিঃসন্দেহে তা দুই ধর্মের মধ্যে সুসম্পর্ক গড়ে তােলার পথে এক ধাপ এগিয়ে দিয়েছে যা দৃষ্টান্ত হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। 
পােপ নিজেই এ ব্যাপারে বলেন যে, “এক আল্লাহর উপাসনার ভিত্তিতে খ্রিস্টান ও মুসলমানদের মধ্যে ঐক্য গড়ে তােলার ব্যাপারে এক সুগভীর বিশ্বাস 
তাকে পরিচালিত করেছিল।” 
ক্যাথলিক চার্চের প্রধানের কাছ থেকে মুসলমানদের জন্য এরকম মানসিক ভাবাবেগের সত্যি প্রয়ােজন রয়েছে। কেননা, বেশিরভাগ খ্রিস্টানই বড় হয়ে থাকেন ইসলাম-বিরােধিতার বিদ্বেষপূর্ণ এক উদ্দীপনার মধ্যে। ফলে, তাঁরা আদর্শের প্রশ্নে ইসলামের নামগন্ধ পর্যন্ত বরদাশত করতে রাজি নন। ভ্যাটিক্যান থেকে প্রকাশিত উল্লিখিত পুস্তকে এ জন্যে দুঃখ প্রকাশ করা হয়েছে। | এ কথা অনস্বীকার্য নয়, উল্লিখিত বিদ্বেষপূর্ণ মনােভাবের জন্যেই সত্যিকারার্থে ইসলাম যে কি, তা বেশিরভাগ খ্রিস্টান সম্পূর্ণভাবেই অজ্ঞাত থাকেন। একই কারণে ইসলামী-প্রত্যাদেশ সম্পর্কে তাদের ভ্রান্তিপূর্ণ ধারণা রয়ে 
গেছে। | যাহােক, স্বাভাবিকভাবেই একত্ববাদী কোনাে একটি ধর্মের প্রত্যাদেশ সংক্রান্ত কোনাে বিষয় যখন পর্যালােচিত হয় তখন এ বিষয়ে অপর দুই একত্ববাদী ধর্মের বক্তব্য কি, তার তুলনামূলক আলােচনাও এসে পড়ে। 
তাছাড়া, যেকোনাে সমস্যার সার্বিক বিচার-পর্যালােচনা বিচ্ছিন্ন কোনাে আলােচনার চেয়ে অনেক বেশি আকর্ষণীয় হয়। এ কারণে ড. মরিস বুকাইলি মন্তব্য করেন, 
“যেসব বিশেষ বিষয়ে ধর্মীয় গ্রন্থসমূহের বক্তব্যের সাথে বিশ-শতকের বৈজ্ঞানিক সত্যের বিরােধ রয়েছে বলে মনে করা হয়, সেসবের পর্যালােচনায়ও উল্লিখিত তিন ধর্মের কথা এসে যায়। সকলের এই সত্যও অনুধাবন করা প্রয়ােজন যে, বস্তুবাদের সুতীব্র অভিযানের মুখে তিন ধর্মই আজ হুমকির সম্মুখীন, এই যখন অবস্থা, তখন পারস্পরিক ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের গুণে ধর্ম তিনটি সহজেই সমবেতভাবে একটি সুদৃঢ় প্রতিরােধ-প্রাচীন গড়ে তুলতে পারে । বিজ্ঞান এবং ধর্ম পরস্পরবিরােধী বলে যে ধারণা, তা ইহুদী ও খ্রিস্টান-অধ্যুষিত দেশগুলােতে যেমন, তেমনি মুসলিম বিশ্বের কোনো কোনাে মহলে বেশ জোরদার । কেন এই অবস্থা- সে প্রশ্নের সার্বিক জবাব খুঁজে পাওয়ার জন্য দীর্ঘতর আলােচনা প্রয়ােজন। 
প্রকৃতপক্ষে, এই পর্যালােচনা তথা পরীক্ষা-নিরীক্ষার কাজে অগ্রসর হওয়ার আগে একটি মৌলিক প্রশ্নের সঠিক উত্তর খুঁজে নিতে হবে। সেই প্রশ্নটি হচ্ছে, ধর্মগ্রন্থের লিপিবদ্ধবাণীসমূহ কতােটা সঠিক? এ প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে যে অবস্থা ও যে পরিবেশে এসব বাণী লিপিবদ্ধ হয়েছিল তা যেমন পরীক্ষণীয়; তেমনি এও পরীক্ষণীয় যে, কার মাধ্যমে বা কোন পথে এসব বাণী মানুষের কাছে পৌঁছেছে। ১৬ 
পাশ্চাত্য জগতে বাইবেলের সমালােচনামূলক গবেষণা একদম হালের ঘটনা । শত শত বছর ধরে সেখানকার মানুষ নতুন ও পুরাতন নিয়ম তথা বাইবেলকে যখন যে অবস্থায় পেয়েছে, তখন সে অবস্থায় তা গ্রহণ করে পরিতৃপ্ত থেকেছে। এই ধর্মগ্রন্থ তারা যেমন ভক্তিভরে পাঠ করেছে, তেমনি টীকা-টিপ্পনী সংযােজন করে সে গ্রন্থের যাবতীয় ত্রুটি-বিচ্যুতি সংশােধনেরও প্রয়াস চালিয়েছে। শুধু তাই নয়, ধর্মগ্রন্থের বিরুদ্ধে সামান্যতম সমালােচনাকেও তারা ‘পাপ' বলে গণ্য করতে ছাড়েননি। এই বিষয়ে, পুরােহিতেরা ছিলেন সবসময়ই সবার উপরে। কেননা, তাঁদের পক্ষে সম্পূর্ণ বাইবেল ভালােভাবে জানার সুযােগ ছিল বেশি। পক্ষান্তরে, বেশির ভাগ সাধারণ মানুষ ধর্মীয় ভাষণ কিংবা বিভিন্ন উপাসনা উপলক্ষে বাইবেলের নির্বাচিত অংশের পাঠ শুনেই নিজেদের ধন্য মনে করেছেন। 
কোনাে ধর্মগ্রন্থের উপর বিশেষভাবে কোনাে গবেষণা পরিচালনাকালে দেখা গেছে যে, এতদ্‌সংক্রান্ত কোনাে সমস্যা যা কখনাে কখনাে জটিল হয়ে দাঁড়ায়, তার মূল উদ্ঘাটন ও প্রকৃতি বিশ্লেষণের জন্য সেই গ্রন্থের পাঠ বা বাণীর দোষ গুণ বিচারের প্রয়ােজন সর্বাধিক। কিন্তু বিভিন্ন ধর্মগ্রন্থের গুণাগুণ বিচারের নামে তথাকথিত গবেষণামূলক যেসব পুঁথি-পুস্তক বাজারে রয়েছে সেগুলাে পাঠ করলে নিরাশ হতে হয় । 
কারণ, সংশ্লিষ্ট কোনাে সমস্যার ব্যাখ্যা-বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে এইসব পুস্তকে আত্মপক্ষ সমর্থনে এমনভাবে বক্তব্য উপস্থাপন করা হয়, লেখক যেন সেই সমস্যা এড়িয়ে যেতে পারলেই বাঁচেন। এসব ক্ষেত্রে যারা ভাবনা-চিন্তার ক্ষমতা রাখেন ও নিরপেক্ষ রায় প্রদানের সাহস দেখাতে পারেন, তারাও কিন্তু নিজেদের আজগুবি ধারণা ও স্ববিরােধিতা ঢেকে রাখতে পারেন না। আরাে দুঃখ ও পরিতাপের বিষয়, যতাে তর্কই হােক আর যতাে যুক্তিই দেখানাে হােক, সেসবের মােকাবেলায় অনেকেই নির্দ্বিধায় বাইবেলের অংশবিশেষকেই প্রামাণ্য দলিল হিসেবে পেশ করেন। তাঁরা বুঝতেও চান না যে, বাইবেলের এইসব বক্তব্য কতােটা ভ্রান্ত ও ধাঁধায় পূর্ণ । তাছাড়া, এইসব লেখক একবারও ভেবে দেখেন না 
যে, তাদের এই ধরনের যুক্তিহীনতা স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাসী শিক্ষিত লােকদের মনােভাবে কি বিরূপ ও ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে। 
বরং, এমনও দেখা গেছে, সামান্য কিছুসংখ্যক লােকই এ যাবত বাইবেলের এসব গােলকধাধা চিহ্নিত করে নিতে সক্ষম হয়েছেন। পক্ষান্তরে, বেশির ভাগ খ্রিস্টান তাঁদের ধর্মনিরপেক্ষ শিক্ষা সত্ত্বেও বাইবেলের ওইসব অসঙ্গতির ব্যাপারে নির্বিকার থাকেন।  
যদিও, সেসব অসঙ্গতি একেবারেই মৌলিক বিষয়-সংক্রান্ত। উল্লেখ্য, বাইবেলের নতুন নিয়মের অন্তর্ভুক্ত সুসমাচারসমূহের সাথে তুলনীয় হতে পারে, এমন ধর্মগ্রন্থ মুসলমানদেরও রয়েছে, তাহলে ও হাদীস গ্রন্থ। হাদীস হলাে, মােহাম্মদের (দঃ) বক্তব্য ও কার্যবিবরণীর সংকলন। যীশুর বাণী ও কর্মবিবরণীর সংকলন হিসেবে বাইবেল। অর্থাৎ, নতুন নিয়মের সুসমাচারসমূহ : ইঞ্জিল হলাে খ্রিস্টানদের অনুরূপ ধর্মগ্রন্থ। যীশুর আবির্ভাবের কয়েক দশক পরে যেমন বাইবেলের সুসমাচারসমূহ লিপিবদ্ধ হয়েছিল, তেমনি হাদীসও লিপিবদ্ধ হয়েছিল। মােহাম্মদের (দঃ) মৃত্যুর কয়েক দশক পর হাদীস ও বাইবেল উভয়ের মধ্যেই রয়েছে অতীতের ঘটনাবলীর মানবীয় সাক্ষ্য। পক্ষান্তরে, অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে যে, প্রামাণ্য বাইবেলের (সুসমাচারসমূহ) রচয়িতারা নিজেরা কিন্তু লিপিবদ্ধ ঘটনার কিংবা কোনাে বিবরণের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন না। 
এই পুস্তকে আলােচিত হাদীসের সংকলকদের ব্যাপারেও একথা প্রযােজ্য। 
এখানেই হাদীস ও বাইবেলের তুলনামূলক আলােচনার শেষ। হাদীসসমূহের সঠিকত্ব বা নির্ভুলতা নিয়ে অতীতে বহু বিচার, বিশ্লেষণ ও পর্যালােচনা হয়েছে এবং এখনও হচ্ছে। পক্ষান্তরে, খ্রিস্টীয় প্রথম শতকেই গির্জার অধিকারীবৃন্দ বহুসংখ্যক সুসমাচার থেকে যাচাই-বাছাই করে শুধু চারটি সুসমাচারকে প্রামাণ্য বলে চূড়ান্তভাবে রায় দিয়েছেন। অথচ, বাইবেলের নতুন নিয়মে সংকলিত সেই চারটি প্রামাণ্য সুসমাচারে বর্ণিত বিভিন্ন বিষয়ের মধ্যে অনেক বিষয়ে তেমন কোনাে ঐকমত্য সৃষ্টি হয় না। তবুও, ওই চারটিকে ‘প্রামাণ্য বলে গ্রহণ করে বাদবাকি সুসমাচারকে বাতিল বলে রায় দেয়া হয় । এভাবে বাতিলকরণের এই প্রক্রিয়া থেকেই এ্যাপোেক্রাইফা টার্মের উৎপত্তি। 
ধর্মগ্রন্থের ব্যাপারে খ্রিস্টধর্ম ও ইসলামের মধ্যে আর একটি মৌলিক পার্থক্য বিদ্যমান ও খ্রিস্টানদের এমন কোনাে ধর্মগ্রন্থ নেই যার বাণীসমূহ সরাসরি ওহী বা প্রত্যাদেশের মাধ্যমে প্রাপ্ত এবং যে গ্রন্থে বাণীসমূহ হুবহু লিপিবদ্ধ। পক্ষান্ত রে, ইসলামের কোরআন এই চরিত্রের ধর্মগ্রন্থ, এই গ্রন্থ সরাসরিভাবে প্রত্যাদেশের মাধ্যমে প্রাপ্ত। | কোরআন প্রধান ফিরিশতা জিব্রাঈলের মাধ্যমে মােহাম্মদ (দঃ) কর্তৃক প্রাপ্ত ওহী তথা আল্লাহর বাণী। প্রত্যাদেশপ্রাপ্তির সঙ্গে সঙ্গে ওহীর বাণীসমূহ লিখে রাখা হত; বিশ্বাসীরা তা কণ্ঠস্থ করে ফেলতেন এবং নামাজে সেইসব বাণী বা 
আয়াত তেলাওয়াত করা হত যা এখনাে হয়। বিশেষত, প্রাপ্ত বাণীসমূহ রমজান মাসে অবশ্যই সম্পূর্ণভাবে তেলাওয়াতের ব্যবস্থা থাকতাে। এখনাে সেই ধারা চালু রয়েছে। মােহাম্মদ (দঃ) নিজেই প্রাপ্ত বাণীসমূহ বিভিন্ন সূরায় ভাগ করে গেছেন.............................
book mocup

Saturday, 7 March 2020

Where does it come from?

Where does it come from?

Where does it come from?

Contrary to popular belief, Lorem Ipsum is not simply random text. It has roots in a piece of classical Latin literature from 45 BC, making it over 2000 years old. Richard McClintock, a Latin professor at Hampden-Sydney College in Virginia, looked up one of the more obscure Latin words, consectetur, from a Lorem Ipsum passage, and going through the cites of the word in classical literature, discovered the undoubtable source. Lorem Ipsum comes from sections 1.10.32 and 1.10.33 of "de Finibus Bonorum et Malorum" (The Extremes of Good and Evil) by Cicero, written in 45 BC. This book is a treatise on the theory of ethics, very popular during the Renaissance. The first line of Lorem Ipsum, "Lorem ipsum dolor sit amet..", comes from a line in section 1.10.32.


Where can I get some?
There are many variations of passages of Lorem Ipsum available, but the majority have suffered alteration in some form, by injected humour, or randomised words which don't look even slightly believable. If you are going to use a passage of Lorem Ipsum, you need to be sure there isn't anything embarrassing hidden in the middle of text. All the Lorem Ipsum generators on the Internet tend to repeat predefined chunks as necessary, making this the first true generator on the Internet. It uses a dictionary of over 200 Latin words, combined with a handful of model sentence structures, to generate Lorem Ipsum which looks reasonable. The generated Lorem Ipsum is therefore always free from repetition, injected humour, or non-characteristic words etc.



Why do we use it?
It is a long established fact that a reader will be distracted by the readable content of a page when looking at its layout. The point of using Lorem Ipsum is that it has a more-or-less normal distribution of letters, as opposed to using 'Content here, content here', making it look like readable English. Many desktop publishing packages and web page editors now use Lorem Ipsum as their default model text, and a search for 'lorem ipsum' will uncover many web sites still in their infancy. Various versions have evolved over the years, sometimes by accident, sometimes on purpose (injected humour and the like).
It is a long established fact that a reader will be distracted by the readable content of a page when looking at its layout.

It is a long established fact that a reader will be distracted by the readable content of a page when looking at its layout.

Why do we use it?

It is a long established fact that a reader will be distracted by the readable content of a page when looking at its layout. The point of using Lorem Ipsum is that it has a more-or-less normal distribution of letters, as opposed to using 'Content here, content here', making it look like readable English. Many desktop publishing packages and web page editors now use Lorem Ipsum as their default model text, and a search for 'lorem ipsum' will uncover many web sites still in their infancy. Various versions have evolved over the years, sometimes by accident, sometimes on purpose (injected humour and the like).


Where does it come from?

Contrary to popular belief, Lorem Ipsum is not simply random text. It has roots in a piece of classical Latin literature from 45 BC, making it over 2000 years old. Richard McClintock, a Latin professor at Hampden-Sydney College in Virginia, looked up one of the more obscure Latin words, consectetur, from a Lorem Ipsum passage, and going through the cites of the word in classical literature, discovered the undoubtable source. Lorem Ipsum comes from sections 1.10.32 and 1.10.33 of "de Finibus Bonorum et Malorum" (The Extremes of Good and Evil) by Cicero, written in 45 BC. This book is a treatise on the theory of ethics, very popular during the Renaissance. The first line of Lorem Ipsum, "Lorem ipsum dolor sit amet..", comes from a line in section 1.10.32.
The standard chunk of Lorem Ipsum used since the 1500s is reproduced below for those interested. Sections 1.10.32 and 1.10.33 from "de Finibus Bonorum et Malorum" by Cicero are also reproduced in their exact original form, accompanied by English versions from the 1914 translation by H. Rackham.

Where can I get some?

There are many variations of passages of Lorem Ipsum available, but the majority have suffered alteration in some form, by injected humour, or randomised words which don't look even slightly believable. If you are going to use a passage of Lorem Ipsum, you need to be sure there isn't anything embarrassing hidden in the middle of text. All the Lorem Ipsum generators on the Internet tend to repeat predefined chunks as necessary, making this the first true generator on the Internet. It uses a dictionary of over 200 Latin words, combined with a handful of model sentence structures, to generate Lorem Ipsum which looks reasonable. The generated Lorem Ipsum is therefore always free from repetition, injected humour, or non-characteristic words etc.